ভারতবর্ষ

শ্ীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রণীত

কলিকাতা, ২* কর্ণওয়ালিস্‌ স্্াট, মজুমদার লাইব্রেরি হইতে প্রকাশিত। ১৩১২

মূল্য ॥%* দশ আনা

কলিকাতা,

২০ কণওয়ালিস্‌ স্ত্রী, “দিনময়ী প্রেসে” শ্রীহরিচরণ মান্না দ্বার! মুদ্রিত

৯০১৮৯ পিপাসা িতসসিলাসি পিপাসা পিসি ৯০০০

৬৫৮৯ ৮৩ ৩৯ পি পাস তানি পাস পি পি বাসি পাসিাসিপাসিিসি ত৯ পি

পাস

প্রকাশকের নিবেদন

এই গ্রন্থের সমস্ত প্রবন্ধই বঙ্গদর্শনে (নব পর্যায়) প্রকাশিত হইয়াছিল। এক্ষণে কোন কোন প্রবন্ধের স্থানে স্থানে সামান্য পরিরর্তন হইয়াছে মাত্র।

সুচী।

বিষয়। পৃষ্ঠা

অববর্ষ রর রঃ তারতবর্ষের ইতিহাস ... ১৮১৬ ব্রাহ্মণ রর 8 ৩১ চীনেম্যানের চিঠি ... রঃ ৯৯৯ ৫২ প্রাচ্য পাশ্চাত্য সত্যতার আদর্শ *, ও. শী বারোয়ারি-মঙ্গলা ... ৮১ ৮২ অত্যুক্তি স্‌ ১০১০৬ মন্দিরের কথা রি রঃ ৯,১২৭ ধন্মপদং ১০ 5১৭ ৯৯৯ ১৩৪ বিজয়া-মন্মিজন র্‌ ১১8৬

ভারতবষ।

০২৯০

নববর্ষ।

অধুনা আমাদের কাঁছে কর্মের গৌরব অত্যন্ত বেশি। হাতের কাছে হৌক-_দূরে হৌক্‌, দিনে হৌক্‌--দিনের অবসানে হৌক্‌, কর্ণ করিতে হইবে। কি করি, কি করি, কোথায় মরিতে হইবে__ কোথায় আত্মবিসর্জন করিতে হইবে, ইহাই অশান্তচিত্বে আমরা! খুঁজিতেছি। যুরোপে লাগাম-পরা অবস্থায় মরা একটা গৌরবের কথা। কাজ, অকাজ, অকারণ কাজ, যে উপায়েই হৌক্‌, জীবনের শেষ নিমেষপাঁত পর্য্যন্ত ছুটাছুটি করিয়া মাতামাতি করিয়া মরিতে হইবে! এই কর্ধনাগরদোলার ঘূর্ণিনেশা যখন একএকটা| জাতিকে পাইয়া বসে, তখন পৃথিবীতে আর শান্তি থাকে না। তখন, ছুর্গম হিমালয়-শিখরে যে লোমশছাঁগ এতকাল নিরুদ্েগে জীবন বহন করিয়া আসিতেছে, তাহারা অকন্মাংৎ শিকারীর গুলিতে প্রাণত্যাগ করিতে থাকে। বিশ্বস্তচিত্ত সীল্‌ এবং গেসুয়িন্‌ পক্ষী এতকাল জনশূন্য তুষার- মরুর মধ্যে নির্কিরোধে প্রাণধারণ করিবার সুখটুকু ভোগ করিয়া আসিতেছিল,_অকৰস্ক শুত্রনীহার হঠাৎ সেই নিরীহ প্রাণীদের রক্তে রঞ্জিত হইয়া উঠে। কোথা হইতে বণিকের কামান শিক্পনিপুণ গ্রাচীন চীনের কণঠের মধো অহিক্ষেনের পিও বর্ষণ করিতে থাকে, এবং

2৬৮৮০, চটির রেযেরেকেরের

* বেলপুর শান্তিনিকেতন আশ্রমে পঠিত।

ভারতবর্ষ।

পাসপাসসপাপাসপস পাস সপাপপাস্পস্পস্পিসপাসিপাপপাস্পিপাস্পিস্পাপাস্পাসপিস্পস্পিস্পিসিপাস্পাসিপাসপিসিলিসিপসপিপাতি পাস পাসপিপপিসি পাতিল পাপা

আফ্রিকার নিভৃত অরণ্যসমাচ্ছন্ন কৃষ্ণত্ব সভ্যতার বজে বিদীর্ণ হইয়! আর্তস্বরে প্রাণত্যাগ করে। এখানে আশ্রমে নির্জন প্রকৃতির মধ্যে স্তব্ধ হইয়া বসিলে অন্তরের মধ্যে স্পষ্ট উপলদ্ধি হয় যে, হওয়াটাই জগতের চরম আদর্শ, করাটা নহে। প্ররুতিতে কর্মের সীমা নাই, কিন্তু সেই কন্মরটাকে অন্তরালে রাখিয়া সে আপনাকে হওয়ার মধ্যে প্রকাশ করে। প্রকৃতির মুখের দিকে যখনি চাই, দেখি, সে অক্রিষ্ট-_অক্লাস্ত, যেন সে কাহার নিমন্ত্রণে সাজগোজ করিয়া বিস্তীর্ণ নীলাকাশে আরামে আসনগ্রহণ করিয়াছে এই নিখিলগৃহিণীর রান্নাঘর কোথায়, টেকিশালা কোথায়, কোন্‌ ভাগারের স্তরে স্তরে ইহার বিচিত্র আকারের ভাগ্ড সাজানে। রহিয়াছে ? ইহার দক্ষিণ হস্তের হাতাবেড়িগুলিকে আভরণ বলিয়। ভ্রম হয়, ইহার কাজকে লীলার মত মনে হয়, ইহার চলাকে নৃত্য এবং চেষ্টাকে ওঁদাপীন্তের মত জ্ঞান হয়। ঘূর্্যমাঁন চক্রগুলিকে নিয়ে গোপন করিয়া স্থিতিকেই গতির উদ্ধে রাখিয়া, প্রকৃতি আপনাকে নিতাকাল প্রকাশ- মান রাখিয়াছে-_উর্ধশ্বীস কর্মের বেগে িজেকে অস্পষ্ট এবং সঞ্ধীয়- মান কর্থের স্তপে নিজেকে আচ্ছন্ন করে নাই। এই কর্মের চতুর্দিকে অবকাশ, এই চাঞ্চল্যকে ধবশাস্তির দ্বারা মণ্ডিত করিয়া রাখা,--প্রকৃতির চিরনবীনতার ইহাই রহম্ত। কেবল নবীনতা নহে, ইহাই তাহার বল। ভারতবর্ষ তাহার তগুতাতর আকাশের নিকট, তাহার শুফধূলর প্রান্তরের নিকট, তাহার জলজ্জটামগ্ডিত বিরাট মধ্যহের নিকট, ভাঙার নিকষরৃষ্ণ নিংশষ রাঝ্মির নিকট হইতে এই উদার শাস্তি, এই বিশাল স্ন্ধতা আপনার অস্তঃকরণের মধ্যে লাভ করিয়াছে। ভারত- বর্ধ কর্ণের ক্রীতদাস নহে। | সকল জাতির ন্বভাবগত আদর্শ এক নয়--তাহা লইয়া ক্ষোভ

কাটি ট্রমা পম পিপাসা

করিবার প্রয়োজন দেখি না ভারতবর্ষ মানুষকে লঙ্ঘন করিয়া কর্মকে বড় করিয়া! তোঁলে নাই ফলাকাজ্ষাহীন কর্ম্মকে মাহাত্ম্য দিয়া সে বস্তত কর্ম্মকে সংযত করিয়। লইয়াছে। ফলের আকাঙ্ষা উপ্ড়াইয়া ফেলিলে কর্মের বিষর্দাত ভাডিয়া 'ফেলা হয়। এই উপায়ে মানুষ কর্মের উপরেও নিজেকে জাগ্রত করিবার অবকাশ পায়। হওয়াই আমাদের দেশের চরম লক্ষ্য, করা উপলক্ষ্যমাত্র।

বিদেশের সংঘাতে ভারতবর্ষের এই প্রাচীন স্তব্ধতা ক্ষুব্ধ হইয়াছে। তাহাতে'যে আমাদের বলবৃদ্ধি হইতেছে, কথা আমি মনে করি ন1। ইহাতে আমাদের শক্তি ক্ষয় হইতেছে। ইহাতে প্রতিদিন আমাদের নিষ্ঠ। বিচলিত, আমাদের চরিত্র ভগ্ন-বিকীর্ণ, আমাদের চিত্ত বিক্ষিপ্ত এবং আমাদের চেষ্টা বার্থ হইতেছে। পূর্বে ভারতবর্ষের কার্য প্রণালী অতি সহজ-সরল, অতি প্রশান্ত, অথচ অত্যন্ত দৃঢ় ছিল। তাহাতে আড়ম্বরমাত্রেরই অভাব ছিল, তাহাতে শক্তির অনাবশ্তক অপব্যয় ছিল না। সতী স্ত্রী অনায়াসেই স্বামীর চিতায় আরোহণ করিত, সৈনিক- সিপাহী অকাতরেই চান! চিবাইয়! লড়াই করিতে যাইত, আচাররক্ষার জন্ত সকল অস্থবিধা বহন করা, সমাজরক্ষার জন্ত চুড়ান্ত দুঃখ ভোগ করা এবং ধর্মরক্ষার জন্ত গ্রাণবিসর্জন করা, তখন অত্যন্ত সহজ ছিল। নিম্তজ্ধতার এই ভীষণ শক্তি ভারতবর্ষের মধ্যে এখনো সঞ্চিত হইয়া আছে; আমর! নিজেই ইহাকে জানি না। দারিদ্র্যের যে কঠিন বল, মৌনের যে স্তম্ভিত আবেগ, নিষ্ঠার যে কঠোর শাস্তি এবং বৈরাগ্যের যে উদ্দার গাস্ভীর্য্য, তাহা আমর! কয়েকজন শিক্ষাঞ্চল যুবক বিলাসে, অবি-. স্বাছনে, অনাচারে, অনুকরণে, এখনে ভারতবর্ষ হতে দুর করিয়া! দিতে পারি নাই। সংঘমের দ্বারা, বিশ্বাসের খারা, ধ্যানের দ্বারা এই মৃত্যু তয়হীন আত্মসমাহিত শক্কি ভারতবর্ষের মৃ্বজীড়ে মৃত এবং হজ্জায় ষধ্যে কাহিস্ক, লোকব্যবারে কোহলতা এবং দ্বধর্থরক্ষ$হ দুড় তখন

ভারতবর্ষ।

পাস লামপী্িলিলাস্িবীসি্ডিলাপসিলাদি লাস্ট সিলসিলা বাসা পসপিিস্টিসপসদল

'কারয়াছে। শাস্তির মর্গত এই বিপুল শক্তিকে অনুভব করিতে হইবে, স্তব্ূতার আধারভূত এই প্রকাণ্ড কাঠিন্তকে জানিতে হইবে। বছ ছুর্গতির মধ্যে বুশতাব্ধী ধরিয়া ভারতবর্ষের অন্তনিহিত এই স্থির শক্তিই আমাদিগকে রক্ষা করিয়া আসিয়াছে, এবং সময়কালে এই দীনহীনবেশী ভূষণহীন বাক্যহীন নিষ্ঠান্রড়িষ্ঠ শক্তিই জাগ্রত হইয়া সমস্ত ভারতবর্ষের উপরে আপন বরাভয়হন্ত প্রসারিত করিবে, ইংরাজি কোর্ডা, ইংরাজের দেকানের আন্বাব, ইংরাঁজি মাষ্টারের বাক্তঙ্গিমার অবিকল নকল কোথাও থাকিবে না, কোন" কাজেই লাগিবে না। আমরা আজ যাহাকে অবজ্ঞা করিয়া চাহিয়] দেখিতেছি না,--জানিতে পারিতেছি ন1, ইংরাকজ্িস্কুলের বাতায়নে বসিয়া যাহার সঙ্জাহীন আভাসমাজ্স চোখে পড়িতেই আমরা লাল হইয়া মুখ ফিরাইতেছি, তাহাই সনাতন বৃহৎ ভারতবর্ষ, তাহা আমাদের বাগ্ীদের বিলাতী পটতালে সভায় সভায় নৃত্য করিয় বেড়ায় না,₹- ভাঁহা আমাদের নদীতীরে রুদ্ররৌদ্রবিকীর্ণ, বিস্তীর্ণ, ধূসর প্রাস্তরের' মধ্যে কৌগীনবন্ত্র পরিয়া ভূণাসনে একাকী মৌন বসিয়া আছে। তাহা! ৰলিষ্ঠ-ভীষণ, তাহা দারুণ সহিষ্ণু, উপবাস-ব্রতধারী-_তাহার কৃশপঞ্জ- রের অভ্যন্তরে প্রাচীন তপোবনের অমৃত, অশোক, অভয় হোখাপ্সি এখনো জলিতেছে। আর আজিকার দিনের বহু আড়ম্বর, আস্ফালন, করতালি, মিথ্যাবাঁকা, যাহা আমাদের স্বরচিত, যাহাকে সমস্ত ভারত- বর্ষের মধ্যে আমরা একমাত্র সত্য, একমাত্র বৃহৎ বলিয়া মনে করিতেছি. যাহ! মুখর, যাহা! চঞ্চল, যাহা উদ্বেলিত পশ্চিমসমুদ্রের উদশীর্ণ ফেনরাশি _তাহা, যদি কখনো ঝড় আসে, দশদিকে উড়িয়া অদৃশ্ত হহয়া। যাইবে। তখন দেখিব, দী অবিচলিতশক্তি নন্গ্যাসীর দীপ্তচক্ষু ছুর্য্ো-: গের মধ্যে অলিতেছে তাহার পিজল জটাভুট বঞ্ধীর মধ্যে কম্পিত হই- ভেছে /--বখন ঝড়ের গর্জনে অতিবিশুদ্ধ উচ্চারণের ইংরাজি বক্তা;

নববর্ষ।

আর গুন! যাইবে না, তখন সন্ন্যাসীর কঠিন দক্ষিণবাহুর লৌহবলযবের সঙ্গে তাহার লৌহদগ্ডের ঘর্ষগবস্কার সমস্ত মেঘমন্ত্রের উপরে শব্দিত হইয়া উঠিবে। এই সঙ্গহীন নিভৃতবাসী ভারতবর্ষকে আমর! জানিব, যাহা স্তব্ধ-_তাহাকে উপেক্ষ! করিব ন।, যাহা মৌন-_তাহাকে অবি- শ্বাস করিব না,-ধাহা। বিদেশের বিপুল বিলাসসামগ্রীকে ভ্রক্ষেপের দ্বারা অবন্ত। করে, তাহাকে দরিদ্র বলিয়া উপেক্ষা করিব না; কর- জোড়ে তাহার সন্মুথে আসিয়। উপবেশন করিব, এবং নিঃশব্দে তাহার পদধূলি মাথায় তুলিয়া স্তব্বভাবে গৃহে আসিয়া চিন্তা করিব।

আজি নববর্ষে এই শৃন্ত প্রান্তরের মধ্যে ভারতবর্ষের আর একটি ভাব আমরা হৃদয়ের মধ্যে গ্রহণ করিব। তাহা। ভারতবর্ষের একা" কিত্ব। এই একাকিত্বের অধিকার বৃহৎ অধিকার। ইহা উপার্জন করিতে হয়। ইহা লাভ করা, রক্ষা কর! ছরূহ। পিতামহগণ এই একাকিত্ব ভারতবর্ষকে দান করিয়া গেছেন | মহাঁভারত-রামাণের স্তায় ইহা আমাদের জাতীয় সম্পত্তি।

সকল দেশেই একজন অচেনা! বিদেশী পথিক অপূর্ব্ব বেশতৃষায় আসিয়া উপস্থিত হইলে, স্থানীয় লোকের কৌতুহল যেন উন্মত্ত হইয়! উঠে--তাহাকে ঘিরিয়1, তাহাকে প্রশ্ন করিয়া, আঘাত করিয়া, সনে করিয়া বিব্রত করিয়! তোলে। ভারতবামী অতি সহজে তাহার প্রতি দৃষ্টিপাত করে--তাহার দ্বারা আহত হয় না এবং তাহাকে আঘাত করে না। চৈনিক পরিব্রাজক ফাহিয়ান, হিয়োন্থসাং যেমন অনা- প্লাসে আতীয়ের ন্যায় ভারত পরিভ্রমণ করিয়! গিয়াছিলেন, সুরোপে কখনে। সেরূপ পারিতেন না। ধর্শের একা বাহিরে পরিদৃষ্টমান নহে, __যেখানে ভাষা, আকৃতি, বেশভূষা, সমন্তই স্বতন্ত্র, সেখানে কৌতুছলের নিষ্ঠুর আক্রমণকে পদে পদে অতিক্রম করিয়। চলা অসাঁধ্য। কিন্তু সভারতবর্ষায় একাকী আত্মলমাহিত--সে নিদ্ছের চারিদিকে একটি

ভারতবর্ষ

বিপদ শপসি্সিপক্ফিসসপ ি পট্মসটা্পধিরনট দ্পপপরস্ সপসসস্িসসিাি্ি সস ািপাসিপাির্িিপ ৯পিিিসািত "পাস পা পালাল

চিরস্থায়ী নির্জনত! বহন করিয়া চলে--মেইজন্ত কেহ তাহার একেবারে গায়ের উপর আসমা! পড়ে না। অপরিচিত বিদেশী তাহার পারব দিয়া চলিয়! যাইবার যথেষ্ট স্থান পার -যাহার! সর্বদাই ভিড় করিয়া, দল বাঁধিয়া, রাস্তা জুড়িয়। বসিয়। থাকে, তাহাদিগকে আঘাত না করি! এবং তাহাদের কাছ হইতে আঘাত ন1 পাইপ নৃত্তন লোকের চলিবার সম্ভাবনা নাই। তাহাকে সকল প্রশ্ত্রের উন্তর দিয়া, সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়!, তবে এক পা অগ্রসর হইতে হয়। কিন্ত ভারতবর্ষায় যেখানে থাকে, সেখানে কোন বাধ! রচন। করে না--তাহার স্থানের টানাটানি নাই-_ তাহার একাকিত্বের অবকাশ কেহ কাড়িয়া লইতে পারে না। গ্রীকৃ হুউক্‌, আরব হুউক্‌, চৈন হউক্‌, সে জঙ্গলের ন্তায় কাহাকেও আটক ফরে না, বনস্পতির ন্যায় নিজের তলদেশে চারিদিকে অবাধ স্থান রাখিয়। দেয়--আশ্রয় লইলে ছাঁয়। দেয়, চলিয্া গেলে কোন কথা বলে না।

এই একাকিত্বের মহত্ব যাহার চিত্ব সাকর্ষণ করে না, সে ভারত- বর্ষকে ঠিকমত চিনিতে পারিবে ন। বহুশতাব্দী ধরিয়! প্রবল বিদেশী উন্মত্ত বরাহের ন্তায় ভারতবর্ষকে এক প্রান্ত হইতে আর এক প্রান্ত পর্য্যস্ত দত্তদ্বার! বিদীর্ণ করিয় ফিরিয়াছিল, তখনে! ভারতবর্ষ আপন বিস্তীর্ণ একাকিত্বদ্বারা পরিরক্ষিত ছিল--কেহুই তাহার মর্মস্থানে আঘাত করিতে পারে নাই। ভারতবর্ষ যুদ্ধ-ধিরোধ ন। করিয়াও নিজেকে নিজের মধ্যে অতি সহজে ম্বতন্ত্র করিয়া রাখিতে জানে-_ মেজন্ত পর্যন্ত অস্ত্রধারী প্রহরীর প্রয়োজন হয় নাই। কর্ণ যেন্প সহজ কবচ লইয়া! জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন, তারতবর্ষায় প্রকৃতি সেইরূপ একটি সহজ ঝেষ্টনের দ্বার] আবৃত-_সর্ধপ্রকার বিরোধবিপ্রবের মধ্যেও একটি ছুর্ভেন্ত শাস্তি তাহার সঙ্গে সঙ্জে অচলা হুইয়া ফিরে--তাই সে ভাঙিয়া পড়ে না, মিশিয়া বায় না, ফেহ তাহাকে গ্রাস করিতে পারে ন--সে উন্মত্ত ভিড়ের মধ্যেও একাকী বিরাজ করে।

সির তা সিলা্িপাসিল লাস পাস পালা পিপাসা

নববর্ষ। |

পা সিপাসপিসি পা সি সিরা অপাসিশা কর্ণ সিল পাস

যুরোপ ভোগে একাকী, কর্মে দলবদ্ধ। ভারতবর্ষ তাহার বিপ- রীত। ভারতবর্ষ ভাগ করিয়া ভোগ করে, কর্ম করে একাকী যুরো- পের ধন-সম্পদ, আরাম-নখ নিজের-_কিস্তু তাহার দানখধ্যান, স্কুল- কলেজ, ধন্মচচ্ঠা, বাণিজ্যব্যবসায়, লমন্ত দল বাধিয়া। আমাদের সুখ সম্পত্তি একলার নহে--মামাদের দান ধ্যান অধ্যাপন, আমাদের কর্তব্য একলার। ? |

এই ভাঁব্টাকে চেষ্টা করিয়। নষ্ট করিতে হুইবে, এমন প্রতিজ্ঞা-কর৷ কিছু নহে--করিয়াও বিশেষ ফল হয় নাই, হইবেও ন1। এমন কি, বাণিজ্যবাবসায়ে প্রকাণ্ড মূলধন একজান্নগায় মত্ত করিয়া! উঠাইয়| তাহার আওতায় ছোটছোট সামধ্যগুলিকে বলপুর্বক নিক্ষল করিয়! তোলা শ্রেরস্কর বোধ করি না। ভারতবর্ষের তন্তবার যে মরিয়াছে, সে একত্র হইবার ক্রটিতে নহে--তাহার যন্ত্রের উন্নতির অভাবে। তাত যদি ভাল হয় এবং প্রত্যেক তত্তবার যদি কাজ করে, অন্ন করিয়। খায়, সন্ধষ্টচিত্তে জীবনযাত্রা নির্বাহ করে, তবে সমাজের মধ্যে প্রকৃত দারিদ্র্যের ঈর্ষার বিষ জমিতে পায় না এবং ম্যাঞ্চে্টার তাহার জটিল কলকারথান! লইয়াও ইহাদ্দিগকে বধ করিতে পারে না। একটি শিক্ষিত জাপানী বলেন, “তোমরা বহুব্যয়সাধ্য বিদেশী কল লইয়৷ বড় কারবার ফাদিতে চেষ্টা করিয়ো না। আমরা জান্মীণী হইতে একটা বিশেষ কল আনাইয়। অবশেষে কিছুদিনেই সন্ত। কাঠে তাহার স্থলভ সরল প্রতিকৃতি করিয়৷ শিল্পিসম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে তাহা গ্রচারিত করিয়া দিয়াছি-_-ইহাতে কাজের উন্নতি হুইয়াছে, সকলে আহারও পাই- তেছে।” এইরপে যন্ত্রত্ত্রকে অত্যন্ত সরল সহজ করিয্া। কাজকে সকলের আয়ত্ত করা, অন্নকৈ সকলের পক্ষে সুলভ কর! প্রাচ্য আদর্শ কথ! আমাদিগকে মনে রাখিতে হইবে।

আমোদ বল, শিক্ষ। বল, হিতকম্ম বল, সকলকেই একান্ত জটিল ও.

ভারতবর্ষ

০৮০০৪ সিসি সমস

£সাধ্য করিল! তুলিলে, কাজেই সম্প্রদায়ের হাতে ধরা দিতে হয়। তাহাতে কর্মের আয়োজন উত্তেজনা উত্তরোত্বর এতই বৃহৎ হইয়া উঠে যে, মানুষ আচ্ছন় হইয়া যায়। প্রতিযোগিতার নিষ্ঠুর তাড়নায় কর্মমজীবীর! যন্ত্রের অধম হয় বাহির হইতে সভ্যতার বৃহৎ আয়োজন দেখিয়া স্তত্তিত হই-__তাহার তলদেশে যে নিদারুণ নরমেধজ্ঞ অহোরাত্্ অনুষ্ঠিত হইতেছে, তাহা গোপনে থাকে . কিন্তু বিধাতাঁর কাছে তাহা গোপন নহে--মাবেমাঝে সামাজিক ভূমিকম্পে তাহার পরিণামের ংবাদ পাওয়া যায়। মুরোপে বড় দল ছোট দলকে পিষিয়া ফেলে, বড় টাকা ছোট টাঁকাকে উপবাসে ক্ষীণ করিয়া আনিয়া শেষকালে বটি- কার মত চোথ বুজিয়৷ গ্রাস করিয়া ফেলে। কাজের উদ্যমকে অপরিমিত বাড়াইয়া তুলিয়৷, কাজগুলাকে প্রকাণ্ড করিয়া, কাজে কাজে লড়াই বাধাইয়া দিয়া যে অশান্তি অসস্তোষের বিষ উন্মথিত হুইয়। উঠে, আপাতত সে আলোচনা থাক। আমি কেবল ভাবিয়া দেখিতেছি, এই সকল কুষ্ণধুমশ্বসিত দানবীয় কারখানা" গুলার ভিতরে, বাহিরে, চারিদিকে মানুষগ্ডলাকে যেভাবে তাল পাকা- ইয়া থাকিতে হয়, তাহাতে তাহাদের নির্জনত্বের সহজ অধিকার,_- একাকিত্বের আক্রটুকু, থাকে না। না থাকে স্থানের অবকাশ, না থাকে কালের অবকাশ, না থাকে ধ্যানের অবকাশ। এইরূপে নিজের সঙ্গ নিজের কাছে অত্যন্ত অনভ্যন্ত হইয়া পড়াতে, কাজের একটু ফাঁক হইলেই মদ খাঁইয়! প্রমোঁদে মাতিয়া বলপূর্ববক নিজের হাত হইতে নিষ্কৃতি পাইবার চেষ্টা ঘটে। নীরব থাফিবার, স্তব্ধ থাকিবার, আনন্দে থাকিবার সাধ্য আর কাহারে থাকে ন1। | যাহার! শ্রমজীবী, তাহাদের এই দশা। যাহারা ভোনী, তাহারা ভোগের নব নব উত্তেজনায় ক্লান্ত নিমন্ত্রণ, খেলা, নৃত্য, ঘোড়দৌড়, শিকার, ভ্রমণের ঝড়ের মুখে শুফ্পত্রের মত দিনরাত্রি তাহার]! নিজেকে

নবব্ধ।

সপপস্টপিস্পাসপাসপাস্পসপিসাসিপসিলিসপিসসপসসিপাস্পিাস্প সপ

পাখি পিসি পাস শসমি

আবর্তিত করিয়! বেড়ায়। ঘূর্ণাগতির মধ্যে কেহ কখনো! নিজেকে এবং জগৎকে ঠিকভাবে দেখিতে পায় না, সমগ্তই অত্যন্ত ঝাপ্স দেখে। যদি একমুহ্র্রের গন্য তাহার প্রমোদচক্র থামিয়া যায়, তবে সেই ক্ষণ- কালের জন্ত নিজের সহিত সাক্ষাৎকার, বৃহৎ জগতের সহিত মিলন- লাভ, "তাহার পক্ষে অত্যন্ত হুঃসহ বোধ ছয়। ভারতবর্ষ ভোগের নিবিড়তাকে আত্মীয়স্বজন প্রতিবেশীর মধ্যে ব্যাপ্ত করিয়৷ লঘু করিয়া দ্রিয়াছে, এবং কর্মের জটিলতাকেও সরল করিয়া আনিয়া! মানুষে-মানষে বিভক্ত করিয়া দিয়াছে ইহাতে ভোগে, কর্মে এবং ধানে প্রত্যেকেরই মন্ুষ্যত্বচ্চার যথেষ্ট অবকাশ থাকে ব্যবপায়ী--সে মন দিয়া কথকতা শোনে, ক্রিয়াকর্ম করে) শিল্পী-_সে-ও নিশ্চিন্তমনে সুর করিয়া রামায়ণ পড়ে এই অবকাশের বিস্তারে গৃহকে, মনকে, সমাজকে কলুষের ঘনবাষ্প হইতে অনেকটা- পরিমাণে নিম্মল করিয়া রাখে _দূষিত বায়ুকে বদ্ধ করিয়া! রাখে না, এবং মলিনতার আবর্জনাকে একেবারে গায়ের পাশেই জমিতে দেয় না। পরস্পরের কাড়াকাড়িতে ঘেঁষার্ঘেষিতে মে রিপুর দাবানল জলিয়া উঠে, ভারতবর্ষে তাহা প্রশমিত থাকে ভারতবর্ষের এই একাকী থাকিয়। কাজ করিবার ব্রত্কে যদি আমর! প্রত্যেকে গ্রহণ করি, তবে এবারকার নববর্ষ আশিষ-বর্ষণে কল্যাণশস্তে পরিপূর্ণ হইবে। দল বাঁধিবার, টাকা জুটাইবার সঙ্কপ্পকে স্বীত করিবার জন্ত স্থচিরকাল অপেক্ষা না করিয়া যে যেখানে আপনার গ্রামে, প্রান্তরে, পল্লীতে, গৃহে, স্থিরশাস্তচিত্তে ধৈর্যের সহিত -সস্তোষের সহিত পুণ্যকর্ম-_মঙগলকর্্ম সাধন করিতে আরম্ভ করি) আড়নম্বরের অভাবে ক্ষুন্ধ না হইয়া, দরিদ্র আয়োজনে কুষ্টিত না৷ হইয়া, .খদেশীয় ভাবে লজ্জিত না হইয়া, কুটারে থাঁকিয়, মাটিতে বসিয়া, উত্তরীম্ম পরিয়া সহজভাবে কর্মে প্রবৃত্ত হই ) ধর্মের সহিত কর্মুকে, কর্মের সহিত

১৬ ভারতবর্ষ

০০০০

লাস পাস সিসি সমস পাস সপ সীিাপাছি লালা পিপাসা পাস পসিপসিসিলাসিলীি লা

শান্তিতে জড়িত করিয়া রাখি ; চাতকপক্ষীর স্তায় বিদ্বেশীর করতালি- বর্ষণের দিকে উর্ধমুখে তাকাইয় না থাকি; তবে ভারতবর্ষের ভিক্তর- কার যথার্থ বলে আমর বলী হইব। বাহির হইতে আঘাত পাইতে পারি, বল পাইতে পারি না) নিজের বল ছাড়া বল নাই। ভারতবর্ষ যেখানে নিজবলে প্রবল, সেই স্থানটি আমর! যদি আবিষ্কার অধিকার করিতে পারি, তবে মুহূর্তে আমাদের সমস্ত লজ্জা অপসারিত হইয়া যাইবে।

ভারতবর্ষ ছোট-বড়, স্ত্রী-পুরুষ, সকলকেই মর্ধ্যাদাদান করিয়াছে এবং সে মর্ধযাদাকে ছুরাকাজ্ষার দ্বার! লত্য করে নাই। বিদেশীর! বাহির হইতে ইহা দেখিতে পায় না। যে ব্যক্তি যে পৈত্রিককর্খের মধ্যে জন্মগ্রহণ করিয়াছে, যে কর্ম যাহার পক্ষে স্থলচতম, তাহ! পালনেই তাহার গৌরব-_তাহা! হইতে ভ্রষ্ট হইলেই তাহার অমর্ধযাদ। এই মর্যাদা মন্গুষ্যত্বকে ধারণ করিয়! রাখিবার একমাত্র উপায়। পৃথিবীতে অবস্থার অসাম্য থাকিবেই, উচ্চ অবস্থা! অতি অল্প লোকেরই ভাগ্যে ঘটে-_বাকি সকলেই ষদি অবস্থাপন্ন লোকের সহিত ভাগ্য ভুলন1 করিয়া মনে মনে অমর্ধ্যাদ। অনুভব করে, তবে তাহারা আপন, ্রীনতায় যথার্থই ক্ষুদ্র হুইয়া পড়ে বিলাতের শ্রমজীবি প্রাণপণে কাজ করে বটে, কিন্তু সেই কাঞ্জে তাহাকে মর্যাদার আবরণ দেয় ন1।. সেনিজের কাছে হীন বলিয়া যথার্থ হীন হুইয়! পড়ে এইরূপে মুরোপের পনেরো-আন! লোক দীনতায়, নঈর্ষায়, ব্যর্থ প্রয়াসে অস্থির। ফুরোপীক্স ভ্রমণকারী, নিজেদের দরিদ্র নিয়শ্রেণীরদের, হিপাবে আমাদের দরিদ্র: নিয়-শ্রেণীয়দের বিচার করে-_ভাচ্ব,, তাহাদের দুঃখ অপমান ইছার্দের মধ্যেও আছে। কিন্তু তাহা একেবারেই নাই। ভারতবর্ষে কর্ম্মবিভেদ--শ্রেণীবিভেদ সুনিদ্দিষ্ট বলিয়াই, উচ্চশ্রেণীয়ের! নিজের শ্বাতগ্ররক্ষার জন্ত নিয়শ্রেণীকে লাঞ্ছিত.

লববর্ধ | ১১

শা সকালটা পপস্শীসপপসিসিপালাস্ান পাস সাস্লসসপাস্টিসপাসিপস্িপাসদিপাসস্পিসপসপিিসিশাসসপস্সিপীসপসিপাসদিপসিলাখি পালা সীল পা পাস্টিল সিল ি লাসিলানপপাসিলার্টি পারছি লা পাসিপাসপ সিসি সপ সপ

করিয়৷ বহিষ্কৃত করে না। ব্রাহ্মণের ছেলেরও বাগৃদি দাদা আছে। গঙিটুকু অবিতর্কে রক্ষিত হয় বলিয়াই পরস্পরের মধ্যে যাতায়াত, মানুষেন্মানথষে হৃদয়ের সম্বন্ধ বাধাহীন হইর! উঠে--বড়দের অনাত্বীয়তার ভার ছোটদের হাড়গোড় একেবারে পিষিয়। ফেলে না পৃথিবীতে যদি ছোট-বড়র অসাম্য অবশ্ঠস্তাবীই হয়, যদি স্বভাবতই সর্বত্রই সকলপ্রকার ছোটর সংখ্যাই অধিক বড়র সংখ্যাই স্বল্প হয়, তবে সমাজের এই অধিকাংশকেই অমর্ধ্যাদার লজ্ভ1 হইতে রক্ষা করিবার, জন্য ভারতবর্ষ যে উপান্ন বাহির করিয়াছে, তাহারই শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করিতে হইবে। |

যুরোপে এই অমর্যাদা প্রভাব এতদুর ব্যাপ্ত হইয়াছে যে, সেখানে একদল আধুনিক স্ত্রীলোক, স্ত্রীলোক হইয়াছে বলিয়াই, লজ্জাবোধ করে। গর্ভধারণ করা, স্বামি-সস্তানের সেবা করা, তাহারা কুষ্ঠার বিষয় জ্ঞান করে। মানুষ বড়, কর্মবিশেষ বড় নহে? মনুষ্যত্রক্ষা। করিয়া যে-কর্মই কর! যায়, তাহাতে অপমান নাই )- দারিদ্র্য লঙ্জাকর, নহে, সেবা লঙ্জাকর নহে, হাতের কাজ লজ্জাকর নহে,_সকল কন্মে, সকল অবস্থাতেই সহজে মাথ! তুলিয়৷ রাখা যায়, ভাব মুরোপে স্থান পায় না। সেইজন্ত সক্ষম, অক্ষম, সকলেই সর্বশ্রেষ্ঠ হইবার জন্ত সমাজে প্রভূত নিক্ষলতা, অন্তহীন বৃথাকর্ম আত্মঘাতী উদ্বমের স্যঙি করিতে থাকে ঘর কাট দেওয়া, জল আনা, বাটন। বাটা, আত্বীয়-অতিথি সকলের সেবাশেষে নিজে আহার করা, ইহ ুরোপের, চক্ষে অত্যাচার অপমান, কিন্তু আমাদের পক্ষে ইহা! গৃহলক্মীর উন্নত. জধিকার,_ইহাতেই তাহার পুণ্য, তাহার সম্মান। বিলাতে এই সমন্ত কাজে যাহার! প্রত্যহ রত থাকে, শুনিতে পাই, তাহায়। ইতব্ভাব প্রাপ্ত হইয়! শ্রীতরষ্ট হয়। কারণ, কাজকে ছোট জানির! তাহা করিতে বাধ্য হইলে, মান্য নিজে ছোট হুয়। আমাদেক:

১২ ভারতবর্ষ

পি লাসিপািপস্পিসিপ্পসিপাস্দিিসি সিলসিলা পারা সা র৯-তসিা লা

পো,

লক্ষীগণ যতই সেবার কর্মে ব্রতী হন,-_তুচ্ছ কন্মসকলকে পুণ্যকর্ম বলিয়া সম্পন্ন করেন,_-অসামান্ততাহীন ন্বামীকে দেবতা বলিয়া ভক্তি করেন, ততই তাহার! শ্রীসৌন্দর্য্য-পবিত্রতায় মণ্ডিত হুইয়া উঠেন-_ তাহাদের পুণ্যজ্যোতিতে চতুদ্দিকু হইতে ইতরতা অভিভূত হইয়। পলায়ন করে। |

যুরোপ এই কথা বলেন যে, সকল মানুষেরই সব হইবার অধিকার আছে--এই ধারণাতেই মানুষের গৌরব। কিন্তু বন্ততই সকলের সব হইবার অধিকার নাই, এই অতি সত্যকথাটি সবিনয়ে গোড়াতেই মানিয়া লওয়া ভাল। বিনয়ের সহিত মানিয়| লইলে তাহার পরে আর কোন অগৌরব নাই। রামের বাড়ীতে শ্তামের কোন অধিকার নাই, কথা স্থিরনিশ্চিত বলিয়াই রামের বাড়ীতে কর্তৃত্ব করিতে ন! পারিলেও শ্ামের তাহাতে লেশমান্র লজ্জার বিষয় থাকে ন।। কিন্ত শ্টামের যদি এমন পাগ্লামি মাথায় জোটে যে, সে মনে করে, রামের বাড়ীতে একাধিপত্য করাই তাহার উচিত-_-এবং সেই বৃথাচেষ্টায় সে বারংবার বিড়প্বিত হইতে থাকে, তবেই তাহার প্রত্যহ অপমান ছুঃখের সীমা থাকে না। আমাদের দেশে স্বস্থানের নির্দিষ্ট গণ্তীর মধ্যে সকলেই আপনার নিশ্চিত অধিকারটুকুর মর্যাদা শাস্তি লাঁভ করে বলিয়াই, ছোট নুযোগ পাইলেই বড়কে খেদাইয়! যাঁর না, এবং ৰড়ও ছোটকে সর্বদ। সর্ব প্রধত্তে খেদাইয়া রাখে না।

যুরোপ বলে, এই সস্তোষই, এই জিগীষার অভাবই, জাতির মৃত্যুর কারণ। তাহ যুরোপীয় সভ্যতার মৃত্যুর কাঁরণ বটে, কিন্তু আমাদের সভ্যতার তাহাই ভিত্তি। যে লোক জাহাজে আছে, তাহার পঙ্গে যে বিধান, যে লোক ঘরে আছে, তাহারও পক্ষে সেই বিধান নছে। যুরোপ যদ্দি বলে সভ্যতামান্ররেই সমান এবং সেই বৈচিত্র্যহীন সভ্যতার আদর্শ কেবল যুরোপেই আছে, তবে তাহার সেই ম্পর্দাবাক্য গুনিয়াই

নববর্ষ ১৩

বস্তি লস্ট পানপিতিস্সলািট লাস্ট সপ সি সিসি

পাসপাস্পীসিসিপাস্সিপাস্িলাসি পাত পালাল

তাড়াতাড়ি আমাদের ধনরত্বকে ভাঙা-কুল! দিয়া পথের মধ্যে বাহির করিয়। ফেল। সঙ্গত হয় না।

বস্তত সস্তোষের বিকৃতি আছে বলিয়াই অত্যাকাজ্ার যে বিকৃতি নাই, কথ! কে মানিবে? সন্তোষে জড়ত্ব প্রাপ্ত হইলে যি কাজে শৈথিল্য আনে, ইহ] সত্য হয়, তবে অত্যাকাজ্ষার দম বাড়িয়া গেলে যেভূরি-ভূরি অনাবশ্তক নিদারুণ অকাজের স্থষ্টি হইতে থাকে, কথা কেন ভূলিব? প্রথমটাতে যদি রোগে মৃত্যু ঘটে, তবে দ্বিতীয়টাতে অপঘাতে মৃত্যু ঘটিয়া থাকে কথ! মনে রাখা কর্তব্য, সন্তোষ এবং আকাজ্জা ছুয়েরই মাত্র! বাঁড়িয়। গেলে বিনাশের কারণ জন্মে। |

অতএব সে আলোচনা ছাড়িয়! দিয়া ইহ! স্বীকার করিতেই হইবে, সন্তোষ, সংযম, শাস্তি, ক্ষমা, সমন্তই উচ্চতর সভ্যতার অঙ্গ ইহাতে প্রতিযোগিতা-চক্মকির ঠোকাঠুকি-শব স্ফুলিল বর্ষণ নাই, কিন্তু হীরকের ক্সি্ধ-নিঃশব্ধ জ্যোতি আছে। সেই শব শ্মু'লিঙ্গকে এই গ্রবজ্যোতির চেয়ে মূল্যবান মনে করা বর্ধরতামাত্র যুরোপীয় সভাতার বিদ্যালয় হুইতেও যদি সে বর্ধরতা প্রহ্থুত হয়, তবু তাহ। বর্বরত। |

আমাদের প্রকৃতির নিভৃততম কক্ষে যে অমর ভারতবর্ষ ধিরাজ করিতেছেন, আজি নববর্ষের দিনে তাহাকে প্রণাম করিয়া আসিলাম। দেখিলাম, তিনি ফললোলুপ কর্মের অনন্ত তাড়না হইতে মুক্ত হইয়া শাস্তির ধ্যানাসনে বিরাজমান, অবিরাম জনতার জড়পেষণ হইতে যুক্ত হইয়া আপন একাকিত্বের মধ্যে আসীন, এবং প্রতিযোগিতার নিবিড় সংঘর্ষ ঈর্ষাকাঁলিমা হইতে মুক্ত হইয়া তিনি আপন অবিচলিত, র্ধ্যাদার মধ্যে পরিবেষিত। এই যে কর্মের বাসনা, জনসংঘের সংঘাত, জিগীষার উত্তেজনা হইতে মুক্তি, ইহাই সমস্ত ভারতবর্ষকে বঙ্গের

১৪ ভারতবর্ষ

ছিল লালা পাস ছি পা পাস্মিা্টি পাস লা লালা সিসি লী সস

স্্্সপিসিিাি

পথে, ভয়হীন শোক হীন মৃত্যুহীন পরম মুক্তির পথে স্থাপিত করিয়াছে।

যুরোপ যাহাকে “ফ্রীডাম্*বলে, সে মুক্তি ইহার কাছে নিতান্তই ক্গীগ। মে মুক্তি চঞ্চল, দুর্বল, তীর, তাহা ম্পর্দিত, তাহ! নিষ্ঠুর,-_তাহা। পরের প্রতি অন্ধ, তাহ ধর্মাকেও নিজের সমতুল্য মনে করে না, এবং সত্যকেও নিজের দাসত্ব বিকৃত করিতে চাহে ! তাহা কেবলি অন্তকে আঘাত করে, এইজন্ত অন্তের আঘাতের তয়ে রাত্রিদিন বর্শে-চন্মে, অস্ত্রে-শস্্ে কণ্টকিত হইয়! বসিয়া থাকে-_তাহা। আত্মরক্ষার জন্ত স্বপক্ষের অধিকাংশ লোককেই দাসত্বনিগড়ে বদ্ধ করিক্া রাখে-__তাহার অসংখ্য সৈন্ মনুষ্যত্ত্র্ট ভীষণ যন্ত্রমাত্র। এই দানবীয় পফ্রীডাম্” কোনকালে ভারতবর্ষের তপস্তার চরম বিষয় ছিল না--কারণ আমাদের জনসাধা- বণ অন্যসকল দেশের চেয়ে যথার্থভাবে স্বাধীনতর ছিল। এখনে! আধুনিক-কালের ধিক্কারসত্বেও এই পফ্রীডাম্” আমাদের সর্বসাধারণের চেষ্টার চরমতম লক্ষ্য হইবে না। নাই হইল-_এই ক্রীডামের চেয়ে উন্নততর--বিশালতর যে মহত্ব-যে মুক্তি ভারতবর্ষের তপস্তার ধন, তাহা যদি পুনরায় সমাজের মধ্যে আমর! আবাহন করিয়া আনি,__ অন্তরের মধ্যে আমর! লাঁত করি, তবে ভারতবর্ষের নগ্নচরণের ধূলিপাতে পৃথিবীর বড়-বড় রাজমুকুট পবিভ্র হইবে।

এইখানেই নববর্ষের চিন্তা আমি সমাপ্ত করিলাম। আজ পুরা- তনের মধ্যে গ্রবেশ করিয়াছিলাম, কারণ, পুরাতনই চিরনবীনতার অক্ষয় ভাণ্ডার আজ যে নবকিসলয়ে বনলক্ষী উৎসববন্ত্র পরিয্বাছেন, বন্ত্রধানি আজিকার নহে--যে ধষিকবিরা ত্রিষ্টত্ছন্দে তরুণী উষার “বন্দন! করিয়াছেন, তাহারাও এই মত্যণ-চিক্কণ পীতহরিৎ বসনথানিতে ঘনশ্রীকে অকন্মাৎ স্াজিতে দেখিয়াছেন--উজ্জয়িনীর পুরোস্তানে কালিদাসের মুগ্ধনৃ্টির সন্দুখে এই নমীরকম্পিত কুন্ুষগন্ি অঞ্চলপ্রাত্তটি বনথর্য্যকরে ঝলমল করিক্কাছে। নৃতনত্থের মধ্যে চিরপুরাতনকে দ্বন্ধ-

তৰ করিলে তবেই অমেয় যৌবনসমুদ্রে আমাদের জীর্ণজীবন নান করিতে পায়। আজিকার এই নববর্ষের মধ্যে ভারতের বছুসহত্র পুরাতন বর্ষকে উপণন্ধি করিতে পারিলে, তবেই আমাদের দুর্বলতা, আমাদের লজ্জা, আমাদের লাঞগ্ছন।, আমাদের দ্বিধ! দুর হইয়া যাইবে। ধার কর! ফুলে- পাতায় গাছকে সাজাইলে তাহা! আজ থাকে, কাল থাকে ন!। সেই নৃতনত্বের অচিরপ্রাচীনতা বিনাশ কেহ নিবারণ করিতে পারে ন1। নববল, নবসৌন্দর্য্য, আমর ষদি অন্তত্র হইতে ধার করিয়া! লইয় সা'জিতে যাই, তবে ছুইদগুবাদেই তাহা! কদর্ধ্যতার মাল্যরূপে আমাদের ললাটকে উপহমিত করিবে; ক্রমে তাহা হইতে পুষ্প-পত্র ঝরিয়! গিয়া কেবল বন্ধনরজ্জুটুকুই থাকিয়া যাইবে। বিদেশের বেশতৃষা-ভাবভঙগী আমাদের গাত্রে দেখিতে দেখিতে মলিন, শ্রীহীন হইয়া পড়ে--বিদেশের শিক্ষা রীতিনীতি আমাদের মনে দেখিতে দেখিতে নিজ্জাব নিক্ষল হয়, কারণ, তাহার পশ্চাতে স্ুচিরকালের ইতিহাস নাই-- তাহা! অসংলগ্ন, অসঙ্গত, তাহার শিকড় ছিন্ন অস্তকার নববর্ষে আমর1 ভারতবর্ষের চিরপুরাতন হইতেই আমাদের নবীনত। গ্রহণ কন্দিযে--সায়াহ্কে যখন বিশ্রামের ঘণ্ট। বাজিবে, তখনে। তাহ! ঝরিয়া পড়িবে না--তখন সেই অক্লানগৌরব মীল্যখানি আীর্বাদের সহিত আমাদের পুত্রের ললাটে বাধিয়। দিয় তাহাকে নির্ভয্নচিত্তে সবলহ্ৃদয়ে বিজয়ের পথে প্রেরণ করিব। জয় হইবে, ভারতবর্ষেরই অয় হইবে! যে ভারত প্রাচীন, যাহা প্রচ্ছন্ন, যাহ! বৃহৎ, যাহ] উদার, যাহ! নির্বাক, তাহারই জয় হইবে, _আমরা-_যাহারা ইংরাজি বলিতেছি, অবিশ্বাস করিতেছি, মিথ্যা কহিতেছি, আক্ষানন করিতেছি, আমর! বর্ষে বর্ধে- | “মিলি মিলি যাওব সাগরলহরী সমান|।” সিডি

তাহাতে নিস্তব্ধ সনাতন ভারতের ক্ষতি হইবে না। ভঙ্মাচ্ছন্ন মৌনী ভারত চতুষ্পথে মৃগচর্্ পাঁতিয়। বসিয়া আছে--আমর! যখন আমাদের সমস্ত চটুলতা মমাধা। করি! পুত্রকন্ভাগণকে কোট্ক্রক্‌ পরাহিক় দির

১৬. ভারতবর্ষ।

বিদার় হইব, তখনো সে শান্তচিত্ে আমাদের পৌন্রদের জন্ত প্রতীক্ষা করিয়া থাকিবে। সে প্রতীক্ষা ব্যর্থ হইবে না, তাহারা এই নন্ন্যাপীর সম্তুথে করযোড়ে আসিয়। কহিবে--“পিতামহ, আমাদিগকে মন্ত্র দাও।”

তিনি কহিবেন--"ও' ইতি বরদ্ধ।*

তিনি কহিবেন--“তুমৈব নুখং নাল্সে সথমন্তি।”

তিনি কহিবেন-_“আননদ ব্রহ্ষণো বিদ্বান বিভেতি কদাচন,

ভারতবর্ষের ইতিহাস।

|] আমাদের দেশে রাজ! ছিলেন সমাজের একটি অঙ্গ ব্রাহ্মণ গুরুগণও একভাবে সমাজরক্ষা-ধর্মনরক্ষায় প্রবৃত্ত ছিলেন, ক্ষত্রিয় রাজারাও অন্যভাবে সেই কার্ধ্যেই ব্রতী ছিলেন। দেশরক্ষা গৌণ, কিন্তু দেশের ধর্্মরক্ষাই তাহা- দের মুখ্য কর্তব্য ছিল। ভারতবর্ষে সাধারণত রাঞ্জ। সমস্ত দেশকে গ্রাস করেন নাই। তাহার! প্রধান ব্যক্তি ছিলেন সন্দেহ নাই, কিন্ত তাহাদের স্থান সীমাবদ্ধ, নির্দিষ্ট ছিল। সেইজ্ত রাজার অভাবে ভারতীয় সমাজ অঙ্গ- হীন হইত, দূর্বল হইত, তবু মরিত না। যেমন এক চক্ষুর অভাবে অন্ত চক্ষু দিকবা দৃষ্টি চলে, তেমনি স্বদেশী রাঁজার অভাবেও সমাজের কাজ চলিয়া গেছে। বিদেশী রাজ! আর সমস্ত অধিকার করিতে পারে, কিন্তু সামাজিক সিংহাসনের অংশ গ্রহণ করিতে পারে না। সমাজই ভারতবর্ষের ম্মস্থান) সেই সমাজের সহিত বিদেশী রাজার নাড়ীর সম্বন্ধ না

থাকাতে যথার্থ ভারতবর্ষের সহিত তাহার সম্বন্ধ অত্যন্ত ্সীণ। সকল দেশেই বিদেশী রাঁজ! দেশের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরে প্রবেশ করিতে পারে না-_ভারতব্ষে আরো! বেশি। কারণ, ভারতবর্ষীয় সমল ছর্গের সায় দৃঢ় প্রাকারের দ্বারা আপনাচক ছুর্গম করিয় রাখিয়াছে। বিদেপী অনাস্থীয় তাহার মধ্যে অবারিত পথ পায় না। এইজন্য বিদেশী সাঁ্জাজ্যের ইতিহাস ভারতবর্ষের প্রকৃত ইতিহাস নহে। ভারতবর্ষের রাষ্ট্রীয় ইতিবৃত্ত ভারত- ইতিবৃত্তের অতি সামান্ত অংশ-_তাঁহ পরিশিষ্টভাগে লিখিত হইবার যৌগ্য।

ভায়তবর্ষের ইতিছাস। ১৭

_..০০০০০৮৮৮১শিশশিশিশিোোশিশিীশিশিপীসিপশশ

ভারতবর্ষের যে ইতিহাস আমরা পড়ি এবং মুখস্থ করিয়া! পরীক্ষা দিই, তাহা ভারতবর্ষের নিশীথকালের একটা! দুঃস্বপ্রকাহিনীমান্র। কোথা হইতে কাহারা আদিল, কাটাকাটি-মারামারি পড়িয়া গ্রেল, ৰাপে-ছেলেয় ভাইয়ে-ভাইয়ে সিংহাসন লইয়া! টানাটানি চলিতে লাগিল, এক দল যদ্দি বা যায়, কোথা হইতে আর-এক দল উঠিয়া পড়ে__পাঠান-মোগল, পর্ত,গীজ-ফরাসী-ইংরাজ, সকলে মিলিয়া এই স্বপ্নকে উত্তরোত্তর জটিল করিয়। তুলিয়াছে।

কিন্তু এই রক্তবর্ণে রঞ্জিত পরিবর্তমান স্বপ্রদৃশ্তপটের দ্বার! ভারত্ব- বর্ষকে আচ্ছন্ন করিয়। দেখিলে, যথার্থ ভারতবর্ষকে দেখা হয় না। ভারতবাসী কোথায়--এ সকল ইতিহাস তাহার কোন উত্তর দেয় না। যেন ভারতবাসী নাই--কেবল যাহারা কাটাকাটি-খুনাখুনি করিয়াছে, তাহারাই আচ্ছে।

তখনকার দুর্দিনেও এই কাটাকাটি-খুনাখুনিই যে ভারতবর্ষের প্রধানতম ব্যাপার, তাহা! নহে। ঝড়ের দিনে যে :ঝড়ই পর্ধপ্রধান ঘটনা, তাহা তাহার গর্জনসতেও স্বীকার করা যায় না,_সে দিনও সেই ধুলিদমাচ্ছন্ন আকাশের মধ্যে পল্লীর গৃহে গৃহে যে জন্ম-মৃত্যু-মহখ- দুঃখের প্রবাহ চলিতে থাকে, 'তাহা৷ ঢাক! পড়িলেও মানুষের পক্ষে তাহাই প্রধান। কিন্তু বিদেশী পথিকের কাছে এই বড়টাই প্রধান, এই ধূলিজালই তাহার চক্ষে আর সমন্তই গ্রাস করে? কারণ, সে ঘরের ভিতরে নাই, সে ঘরের বাহিরে। সেইজন্ত বিদেশীর ইতিহাসে এই ধুলির কথা-__ঝড়ের কথাই পাই, ঘরের কথ! কিছুমাত্র পাই না। সেই ইতিহাঁম পড়িলে মনে হয়, ভারতবর্ষ তখন ছিল ন1, কেবল মোগল-পাঠানের গর্জনমুখর বাত্যাবর্ত গুফপত্রের ধ্বজ! তুলিয়া উত্তর হইতে দক্ষিণে এবং পশ্চিম হইতে পূর্বে ঘুরিয়া-ঘুরিয়! বেড়াইতেছিল।

কিন্তু বিদ্ধেশ যখন ছিল, দেশ তখনো ছিল, নহিজে এই সমস্ত

টা ভারতবর্ধ।

উপদ্রবের মধ্যে কবীর, নানক, চৈতন্ত, তুফারাম, ইহাদিগকে জন্ম দিলকে? তখন যে কেবল দিলী এবং আগ্রা ছিল, তাহা! নহে-_ কাশী এবং নবদ্বীপ ছিল। তখন প্রকৃত ভারতবর্ষের মধ্যে যে জীবনম্রোত বহিতেছিল, যে চেষ্টার তরঙ্গ উঠিতেছিল, যে সামাজিক পরিবর্তন ঘটিতেছিল, তাহার বিবরণ ইতিহাসে পাওয়া যায় না।

কিন্তু বর্তমান পাঠাগ্রস্থের বছিভূতি সেই ভারতবর্ষের সঙ্গেই আমাদের োগ। সেই যোগের বনবর্ষকালবাপী গ্রতিহাসিক সুত্র বিলুপ্ত হুইয়৷ গেলে আমাদের হৃদয় আশ্রয় পায় না। আমর! ভারত- বর্ষের আগাছা-পরগাছা নহি-_ব্ুশত শতাব্দীর মধ্য দিয়া আমাদের শতসহম্র শিকড় ভারতবর্ষের মর্শস্থান অধিকার করিয়া আছে। কিন্তু ছুরৃষ্টক্রমে এমন ইতিহাস আমাদিগকে পড়িতে হয় যে, ঠিক সেই কথাটাই আমাদের ছেলের! ভুলিয়া যায়। মনে হয়, ভারতবর্ষের মধ্যে আমর! যেন কেহই না, আগন্তকবর্গই যেন সব।

নিজের দেশের সঙ্গে নিজের সম্বন্ধ এইরূপ অকিঞ্চিংকর বলিয়। জানিলে, কোথা হইতে আমরা প্রাণ আকর্ষণ করিব? এরূপ অবস্থায় বিদেশকে শ্বদেশের স্থানে বসাইতে আমাদের মনে দ্বিধামাত্র হয় না ভারতবর্ষের অগৌরবে আমাদের গ্রাণান্তকর লজ্জাবোধ হইতে পারে না। আমরা অনায়াসেই বলিয়া থাকি, পুর্বে আমাদের কিছুই ছিল না, এবং এখন আমাদিগকে অশনবসন, আচারব্যবহার, সমস্তই বিদেশীর কাছ হইতে ভিক্ষা করিয়া লইতে হইবে

ধে সকল দেশ ভাগ্যবান্‌, তাহার! চিরস্তন শ্বদ্দেশকে দেশের ইতি- হাসের মধ্যেই খুঁজিয়া পান--বালককালে ইতিহাসই দেশের সহিত, তাহাদের পয়িচয়সাধন করাইয়! দেয়। আমাদের ঠিক তাহার উপ্টা। দেশের ইতিহাসই আমাদের দ্বদেশকে আচ্ছন্ন করিয়া! রাখিয়াছে। মাঘের আক্রমণ হইতে লর্ড কার্ডনের সাত্রাজাগর্কোদগারকাল পর্ব্ত্ত

সপসপিপাসপাসস্িলি সপ

ভারভবর্ষের ইত্চিহাস। ১৯

পট্টি পা পিপাসা স্পস্ট

থে কিছু ইতিহাসকথা, তাহা! ভারতবর্ষের পক্ষে বিচিত্র কুহেলিকা_ তাহা স্বদেশসন্বন্ধে আমাদের দৃষ্টির সহায়তা করে ন।, দৃষ্টি আবৃত করে মাত্র। তাহা এমন স্থানে কৃত্রিম আলোক ফেলে, যাহাতে আমাদের দেশের দ্িক্টাই আমাদের চোখে অন্ধকার হইয়া যায়| সেই অন্ধ- কারের মধ্যে নবাবের বিলাদশালার দীপালোকে নর্তকীর মণিভূষণ জিয়া উঠে? বাদ্‌লাহের স্ুরাপাত্রের রক্তিম ফেনোচ্ছাস উন্মত্বতার জাগর- রক্ত দীপ্ত-নেত্রের ন্তায় দেখা দেয়__সেই অন্ধকারে আমাদের প্রাচীন দেবমন্দিরদকল মস্তক আবৃত করে এবং সুলতান-প্রেয়সীদের শ্বেতমর্মর- রচিত কারুখচিত কবরচুড়া নক্ষত্রলোক চুম্বন করিতে উদ্ধত হয়। সেই অন্ধকারের মধ্যে অশ্বের খুরধ্বনি, হস্তীর বুংহিত, অস্ত্রের ঝঞ্চনা, সুদুর- ব্যাপী শিবিরের তরঙ্গেত পাও্ুরতা, কিংখাব-আন্তরণের স্বর্ণচ্ছট|, মস্‌- জিদের ফেনবুদ্ধবুদাকার পাষাঁণমণ্ডপ, খোজা প্রহ্রীরক্ষিত প্রাসাদ-অজ্তঃ- পুরে রহস্তনিকেতনের নিন্তন্ধ মৌন--এ সমস্তই বিচিত্র শবে বর্ণে ভাঁবে যে প্রকাণ্ড ইন্্রজাল রচনা করে, তাহাকে ভারতবর্ষের ইতিহাস বলিয়। লাভ কি? তাহা তারতবর্ষের পুণ্যমন্ত্রের পুথিটিকে একটি অপরূপ আরব্য উপন্তাল দিয়! মুড়িয়! রাখিয়াছে-_সেই পুথিথানি কেহ খোলে না, সেই আরব্য উপন্যাসেরই প্রত্যেক ছত্র ছেলেরা মুখস্থ করিয়া! লয়। তাহার পরে প্রলয়রাত্রে এই মোগলসাম্রাজ্য যখন মুমুরু তখন শ্মশানস্থলে দূরাগত গৃধগণের পরম্পরের মধ্যে যে সকল চাতুরী- প্রবঞ্চনা-হানাহানি পড়িয়! গেল, তাহাও কি ভারতবর্ষের ইতিবৃত্ধ ? এবং তাহার পর হইতে পাঁচ পাঁচ বৎসরে বিভক্ত ছক-কাটা সত্তরঞ্চের মত ইত্রাজশাদন, ইহার মধ্যে ভারতবর্ষ আরো ক্ষুদ্র +_বস্তত সতরঞে সহিত ইহার প্রভেদ এই যে, ইহার ঘরগুলি কালোয়-শাদায় সমান বিভক্ত নহে, ইহার পনেরোআনাই শাদা। আমরা পেটের অন্নের বিনিময়ে সুশালন, সুবিচার, সুশিক্ষা, সমন্তই একটি বৃহৎ হোয়াইট্য।-

টিন পাস সিসি

জর স্মিত নিসা ৬. পো সম অসি

পাট বন্ধ। এই কারখানাটির বিচায় হইতে বাণিজ্য পর্য্যস্ত সমস্তই স্থু হইতে পারে, কিন্ত ইহার মধ্যে কেরাণীশালার এককোথে আমাদের ভারতবর্ষের স্থান অতি যৎসামান্ত |

ইতিহাস কল দেশে সমান হুইবেই, কুসংস্কার বর্জন না করিলে নর। যেব্যক্তি রথ্চাইল্ডের জীবনী পড়িয় পাকিয়! গেছে, সে খৃষ্টের ভীবনীর বেলায় তাহার হিসাবের খাতাপত্র আপিসের ডায়ারি তলব করিতে পারে; যদি সংগ্রহ করিতে না পারে, তবে তাহার অবজ্ঞা জন্মিবে এব সে বলিবে, যাহার এক পয়সার সঙ্গতি ছিল না, তাহার আবার জীবমী কিসের? তেমনি ভারতবর্ষের রাষ্থ্ীয় দফ্তর হইতে তাহার রাজবংশমাল| জয়পরাজয়ের কাগজপত্র না পাইলে ধাহার। ভারতবর্ষের ইতিহাসপন্বন্ধে হতাশ্বাস হইয়া পড়েন এবং বলেন, যেখানে পলিটিক্স নাই, সেখানে আবার ভিন্্রী কিসের, তাঁহার! ধানের ক্ষেতে বেগুন খুঁজিতে যান এবং না পাইলে মনের ক্ষোভে ধানকে শস্তের মধ্যেই গণ্য করেন না। সকল ক্ষেতের আবাদ এক নহে, ইহ! জানিয় ষেব্যক্তি যথাস্থানে উপযুক্ত শণ্তের প্রত্যাশ। করে, সেই প্রাজ্ঞ।

যিশ্ুখৃষ্টের হিসাবে খাতা দেখিলে তাহার প্রতি অবজ্ঞা জন্মিতে পারে, কিন্ত তাহার অন্য বিষয় সন্ধান করিলে খাতাপত্র সমস্ত নগণ্য হইয়। যায়। তেমনি রাইরীয় ব্যাপারে ভারতবর্ষকে দীন বলিয়া জানিয়াঁও অন্য বিশেষ দিক্‌ হইতে সে দীন্তাকে তুচ্ছ করিতে পারা যায়। ভারত- বর্ষের সেই নিজের দিক্‌ হইতে ভাঁরতবর্ষকে ন" দেখিয়া, আমর! শিশু- কাল হইতে তাহাকে ধর্ব করিতেছি নিজে খর্ধ হইতেছি। ইংরা- জের ছেলে জানে, তাহার ষাপ-পিতামহ অনেক যুদ্ধজয়, দেশ-অধিকার ৰাণিজ্যব্যবসাঁয় করিয়াছে, সে-ও নিজেকে :ক্ঈণগৌরব, ধনগৌরব, রাজ্যপৌববের অধিক্কারী করিতে চায়। আমর! জানি, আমাদের

ভারতবর্ষের ইতিহাস ২১

পিতামহগণ দেশ-অধিকার বাণিপ্যবিস্তার করেন নাই-_এইটে জানাইবার জন্ধই ভারতবর্ষের ইতিহাস। শাহারা! কি করিয়াছিলেন “জানি না, সুতরাং আমরা কি করিব, তাহাও জানি ন!। স্থৃতর়াং পরের নকল করিতে হয়।

ইহার জন্ত কাহাকে দোষ দিব 1 ছেলেবেল! হইতে আমর! যে প্রণালীতে যে শিক্ষা পাই, তাহাতে প্রতিদ্রিন দেশের সহিত আমাদের বিচ্ছেদ ঘটির়। ক্রমে দেশের বিরদ্ধে আমাদের বিদ্রোহভাব জন্মে। .

আমাদের দেশের শিক্ষিত লোকেরাও ক্ষণে ক্ষণে হতবুদ্ধির স্তায় বলিয়। উঠেন, দেশ তৃমি কাহাকে বল, আমাদের দেশের বিশেষ ভাবটা! 'কি, তাহা! কোথায় আছে, তাহা কোথায় ছিল? প্রশ্্ করিয়া ইহার উত্তর পাওয়া যায় না। কারণ, কথাটা এত হুক্ম, এত বৃহৎ যে, ইহা কেবলমাত্র যুক্তির দ্বারা বৌধগম্য নহে। ইংরাজ বল, ফরাঁসী বল, কোন দেশের লোৌকই আপনার দেশীয় তাঁবটি কি, দেশের মুল মর্দ- স্থানটি কোথায়, তাহা এক কথায় ব্যক্ত করিতে পারে না-_তাহা 'দেহস্থিত প্রাণের ন্যায় প্রত্যক্ষ সত্য, অথচ প্রীণের স্যায় সংজ্ঞা ধারণার পক্ষে দুর্ঘম। তাহা শিশুকাল হইতে আমাদের জ্ঞানের ভিতর, আমাদের প্রেমের ভিতর, আমাদের কল্পনার ভিতর নানা অবক্ষ্য পথ দিয়। নানা আঁকারে প্রবেশ করে সে তাহার বিচিত্র শক্তি দিয়া আমাদিগকে নিগুঢ়ভাবে গড়িয়া তোলে--আমাদের অতীতের সহিত বর্তমানের ব্যবধান ঘটিতে দেয় নাঁ_-তাহারই প্রসাদে আমরা বৃহত, আমরা বিচ্ছিন্ন নহি। এই বিচিত্র উদ্ভমসম্পন্ন গুপ্ত পুরাতনী শক্তিকে | ংশযী জিজ্ঞান্ুর কাছে আমরা সংজ্ঞার দ্বারা ছুই-চার কথায় ব্যক্ত করিব কি করিয়া ?

ভারতবর্ষের প্রধান সার্থকতা কি, কথার স্পষ্ট উত্তর ষদি কে জিজ্ঞাসা ফরেন, সেউত্বর আছে; ভারতবর্ষের ইতিহাস সেই

ঙ্২ , ভারতবর্ষ।

পো পালি পম তে বলিলেন সা পরি

উত্তরকেই সমর্থন করিবে। ভারতবর্ষের চিরদিনই একমাত্র চট দেখিতেছি, গ্রভের্দের মধ্যে প্রক্যস্থাপন করা, নানা পথকে একই লক্ষ্যের অভিমুখীন করিয় দেওয়া এবং বহুর মধ্যে এককে নিংসংশয়- রূপে অন্তরতররূপে উপলব্ধি করা,_বাহিরে যে সকল পার্থক্য গ্রতীরমান হয়, তাহাকে নষ্ট না করিয়া তাহার ভিতরকার নিগুঢ় যোগকে অধিকার করা।

এই এককে প্রত্যক্ষ কর! এবং প্রক্যবিস্তারের চেষ্টা করা ভারতত- বর্ষের পক্ষে একান্ত স্বাভাবিক। তাহার এই ম্বাভাবই তাহাকে চিরদিন রাষ্ট্রগৌরবের গ্রতি উদাসীন করিয়াছে। কারণ, রাষ্ট্রগৌরবের খুলে বিরোধের ভাব। যাহার! পরকে একান্ত পর বলিয়! সর্বাস্তঃকরণে অনুভব না করে, তাহার! রাষ্ট্রগৌরবলাভকে জীবনের চরম লক্ষ্য বলিয়া? মনে করিতে পাঁরে না। পরের বিরুদ্ধে আপনাকে প্রতিষ্ঠিত করিবার যে চেষ্টা, তাহাই পোলিটিক্যাল্‌ উন্নতির ভিত্তি--এবং পরের সহিত আঁপনার সম্বন্ধবন্ধন নিজের ভিতরকার বিচিত্র বিভাগ বিরোধের মধ্যে সামন্তস্তস্থাপনের চেষ্টা, ইহাই ধর্বনৈতিক সামাজিক উন্নতির ভিত্তি। যুরোপীয় সভ্যতা যে প্রক্যকে আশ্রয় করিয়াছে, তাহা বিরোধমূলক ) ভারতবর্ষীয় সভ্যতা! যে এঁক্যকে আশ্রয় করিয়াছে, তাহা মিলনমূলক। যুরোপীর পোলিটিক্যাল্‌ খ্বক্যের ভিতরে যে বিরোধের ফাস রহিয়াছে, তাহা! তাহাকে পরের বিরুদ্ধে টানিয় রাখিতে পারে, কিন্তু তাহাকে নিজের মধ্যে পামঞ্জন্ত দিতে পারে না। এইজন্য তাহ। ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে, রাজায় প্রজায়, ধনীতে দরিজ্রে বিচ্ছেদ বিরোধকে সর্বদা জাগ্রত করিয়াই রাধিয়াছে। তাহার! সকলে মিলিয়! যে নিজ নিজ্জ নির্দিষ্ট অধিকারের ছার! সমগ্র সমাজকে বহন করিতেছে, তাহা নয়, তাহারা পরস্পরের প্রতিকূল-_ঘাহাঁতে কোন পঙ্গের বলবৃদ্ধি না হয়, অপর পক্ষের ইহাই প্রাপপণ সন্তর্ক চেষ্টা কিন্তু সকলে মিলিয়া

ভারতবর্ষের ইতিহাস।

উদ সপ সিস্পাসিতাসিিস্পী পসরা পরস্পর প্্টপ্িস্প্্প্্স্জাপপপপাস

যেখানে ঠেলাঠেলি করিতেছে, সেখানে বলের সামঞ্জশ্ত হইতে পারে না--দেখানে কালক্রমে জনসংখ্য। যোগ্যতার অপেক্ষা! বড় হুইয়! উঠে, উদ্ভম গুণের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতা লাভ করে এবং বণিকের ধনসংহতি গৃহস্থের ধনভাগারগুলিকে অভিভূত করিয়া ফেলে-__-এইনূপে সমাজের সামঞ্জস্ত নষ্ট হইয়! যায় এবং এই সকল বিসদৃশ বিরোধী অঙ্গ গুলিকে কোনমতে জোড়াতাড়! দিয় রাখিবার জন্ত গবমেণ্ট কেবলই আইনের পর আইন স্থষ্টি করিতে থাকে। ইহা অবশ্স্তাবী। কারণ বিরোধ যাহার বীঞ্জ, বিরোধই তাহার শস্ত ; মাঝখানে যে পরিপুষ্ট পল্পবিত ব্যাপারটিকে দেখিতে পাওয়। যায়, তাহা এই বিরোধশত্তেরই প্রাণবান্‌ বলবান্‌ বৃক্ষ।

ভারতবর্ষ বিদদুশকেও সম্বন্ধবন্ধনে বাধিবার চেষ্টা করিয়াছে। যেখানে যথার্থ পার্থক্য আছে, সেখানে সেই পার্থক্যকে যথাযোগ্য স্থানে বিন্যস্ত করিয়া--মংযত করিয়া তবে তাহাকে এঁক্যদান করা সম্তৰ। সকলেই এক হইল বলিয়া! আইন করিলেই এক হয় না। যাহার! এক হইবার নহে, তাহারের মধ্যে সম্বন্ধস্থাপনের উপায় তাহাদিগকে পৃথক্‌ অধিকারের মধ্যে বিভক্ত করিয়া দেওয়া পৃথককে বলপুর্ধক এক করিলে তাহারা একদিন বলপূর্বক বিছিন্ন হইয়া যায়, সেই বিচ্ছেদের সময় প্রলয় ঘটে। ভারতবর্ষ মিলনসাধনের এই রহস্ত জানিত | ফরাপীবিদ্রোহ গায়ের জোরে মানবের সমস্ত পার্থক্য রক্ত দিয় মুছিয়া ফেগিবে, এমন ্পর্দ। করিয়াছিল--কিন্ত ফল উল্টা হইয়াছে-_যুরোপে রাজশক্তি-প্রজাশক্তি, ধনশক্তি-জনশক্তি, ক্রমেই অত্যন্ত বিরদ্ধ হইয়। উঠিতেছে। ভারতবর্ষের লক্ষ্য ছিল সকলকে প্রক্যহ্থত্রে আবদ্ধ করা, কিন্তু তাহার উপায় ছিল স্বতন্ত্র। ভারতবর্ষ সমাজের সমস্ত গ্রতিষোগী বিরোধী শক্তিকে সীমাবন্ধ বিভক্ত করিয়া সমাজকলেববুকে এক এবং বিচিত্রকর্মের উপযোগী করিয়াছিল-নিজ নিজ অধিকারকে

ভারতবর্ষ

স্পস্ট পি লক্ষি পিস

সমিপ্িিসিসছ াসস

ক্রমাগতই লঙ্ঘন করিবার চেষ্টা করিয়া বিরোধ-বিশৃঙ্খলা জাগ্রত করিয়৷ রাখিতে দেয় নাই। পরম্পর প্রতিযোগিতার পথেই লমাজের সকল শক্তিকে অহরহ সংগ্রামপরায়ণ করিয়া তুলিয়। ধর্-কর্মম গৃহ দমস্তকেই আবন্তিত, আবিল, উত্তাঁস্ত করিয়] রাখে নাই। এঁক্য- নির্ণয়, মিলনসাধন, এবং শাস্তি স্থিতির মধ্যে পরিপূর্ণ পরিণতি সুক্তিলাভের অবকাশ, ইহাই ভারতবর্ষের লক্ষ্য ছিল।

বিধাত! ভারতবর্ষের মধ্যে বিচিত্র জাতিকে টানিয়া আনিয়াছেন। ভারতবর্ষীয় আধ্য যে শক্তি পাইয়াছে, সেই শক্তি চর্চা! করিবার অবসর ভারতবর্ষ অতি প্রাচীনকাল হইতেই পাইয়াছে। একামুলক যে সত্যতা মানবজাতির চরম সভ্যতা, ভারতবর্ষ চিরদিন ধরিয়! বিচিত্র উপকরণে তাহার ভিত্তিনিম্মাণ করিয়া আসিয়াছে পর বলিয়া সে কাহাকেও দূর করে নাই, অনার্য্য বলিয়া সে কাঁহাকেও বহিষ্কৃত করে নাই, অস- দত বলিয়! সে কিছুকেই উপহাস করে নাই। ভারতবর্ষ সমস্তই গ্রহণ করিয়াছে, সমন্তইংস্বীকার করিয়াছে এত গ্রহণ করিয়াও আত্মরক্ষা করিতে হইলে এই পুঞ্জীভূত সামগ্রীর মধ্যে নিজের ব্যবস্থা, নিজের শৃঙ্খলা স্থাপন করিতে হয়-_পণ্ডযুদ্ধভূমিতে পশুধলের মত ইহাদ্দিগকে পরস্পরের উপর ছাড়িয়া দিলে চলে না। ইহাঁদিগকে বিহিত নিয়মে বিভক্ত-স্বতন্ত্র করিয়া একটি মূলতাবের দ্বার! বন্ধ করিতে হয়। উপ- করণ যেখানকার হউক, সেই শৃঙ্খলা ভারতবর্ষের, মেই মূলতাবটি ভাঁরতবর্ষের। যুরোপ পরকে দূর করিয়া, উৎসদন করিয়া সমাজকে নিরাপর্‌ রাখিতে চায়) আমেরিক।, অস্ট্রেলিয়া, নিয়ুজীলাও, কেপ্‌* কলনিতে তাহার পরিচয় আমরা আজ পর্য্যস্ত পাইতেছি। ইহা'র কারণ, তাহার নিজের সমাজের মধ্যে একটি স্ুুবিহিত শৃঙ্খলার ভাব নাই-_তাহার নিজেরই ভিন্ন সম্প্রদায়কে সে যথোচিত স্থান দিতে পারে নাই এবং বাহার! সমাজের অঙ্গ, তাহাদের অনেকেই সমাজ্র বোঝার

পস্ছি

ভারতবর্ষের ইতিহাস।

মত হইয়াছে__এক্প স্থলে বাহিরের লোককে সে সমাজ নিজের কোন্‌- খানে আশ্রয় দিবে? আত্মীয়ই যেখানে উপদ্রব করিতে উদ্যত, সেখানে বাহিরের লোককে কেহ স্থান দিতে চায় না। যে সমাজে শৃঙ্খল! আছে, এঁক্যের বিধান আছে, সকলের স্বতন্ত্র স্থান অধিকার আছে, সেই সমাজেই পরকে আপন করিয়া লওয়া সহজ হয় পরকে কাটিক়া-মারিরা খেদাইয়া নিজের সমাজ সভ্যতাকে রক্ষা করা, নয় পরকে নিজের বিধানে সংযত করিয়া ম্-বিহিত শৃঙ্খলার মধ্যে স্থান করিয়া দেওয়া, এই ছুইরকম হইতে পারে। যুরোপ প্রথম প্রণালীটি অবলম্বন করিয়া সমস্ত বিশ্বের সঙ্গে বিরোধ উন্মুক্ত করিয়! রাখিয়াছে ভারতবর্ষ দ্বিতীয় প্রণালী অবলম্বন করিয়া সকলকেই ক্রমে ক্রমে ধীরে ধীরে আপনার করিয়া লইবার চেষ্টা করিয়াছে যদ্দি ধর্দ্ের প্রতি শ্রদ্ধা থাকে, যদ্দি ধর্মকেই মানবসভ্যতার চরম আদর্শ বলিয়া স্থির করা যায়, তবে ভারতবর্ষের প্রণালীকেই শ্রেষ্ঠতা দিতে হইবে।

পরকে আপন করিতে প্রতিভার প্রয়োজন। শেকৃম্পিয়র কোথা হইতে কি আম্মসাৎ করিয়াছেন, তাহা সন্ধান করিতে বসিলে নানা ভাগারেই তাহার প্রবেশাধিকার আবিষ্কৃত হয়। কিন্তু আপনার করিবার শক্তি ছিল বলিয়াই তিনি এত লইতে পারিয়াছেন। অন্তের মধ্যে প্রবেশ করিবার শক্তি এবং অন্তকে সম্পূর্ণ আপনার করিয়া লইবার ইন্ত্রজাল, ইহাই প্রতিভার নিজন্ব। ভারতবর্ষের মধ্যে. সেই প্রতিভা আমরা দেখিতে পাঁই। ভারতবর্ষ অসন্কোচে অন্তের মধ্যে প্রবেশ করিয়াছে এবং অনায়াসে অন্ের সামগ্রী নিক্ষের করিয়া লইয়াছে। বিদেশী যাহাকে পৌত্তলিকত। বলে, ভারতবর্ষ তাঁহাকে দেখিয়া ভীত হয় নাই, নাস! কুঞ্চিত করে নাই! ভারতবর্ষ পুলিন্দ, শবর, ব্যাধ প্রভৃতিদের নিকট হইতেও বীভৎস সামগ্রী গ্রহণ করিয়া তাহার মধ্যে-

২৬ ভারতবর্ধ।

স্পাস্িপসস্পিরিস্পিস লাস পিল সা সপ

নিজেক্ ভাব বিস্তার করিয়াছে--তাহার মধ্য দিয়াও মিজের আধ্যাত্মিক- ভাকে অভিব্যক্ত করিয়াছে ভারতবর্ষ ফিছুই ত্যাগ করে নাই এবং গ্রহণ করিয়। সকলই আপনার করিয়াছে

এই ক্যবিস্তার শৃঙ্খলাস্তাপন কেবল সমাজব্যবস্থার নহে, ধর্মনীতিতেও দেখি গীতায় জ্ঞান, প্রেম কর্মের মধ্যে যে সম্পূর্ণ- সামঞ্জস্য-স্থাপনের চেষ্টা দেখি, তাহা বিশেষরূপে ভারতবর্ষের। যুরোপে রিলিজন্‌ বলিয়া যে শব্ঘ আছে, ভারতবর্ষীয় ভাষায় তাহার অনুবাদ অসম্ভব--কারণ ভারতবর্ষ ধর্মের মধ্যে মানসিক বিচ্ছেদ ঘটিতে বাঁধা দিয়াছে-_আমাদের বুদ্ধি-বিশ্বাস-আচরণ, আমাদের ইহকাল-পরকাল, সমস্ত জড়াইয়াই ধর্ম ভারতবর্ষ তাহাকে থণ্ডিত করিয়া কোনটাকে পোঁষাকী এবং কোনটাকে আটপৌরে করিয়া রাখে নাই। হাতের জীবন, পায়ের, জীবন, মাথার জীবন, উদরের জীবন যেমন আলাদা নয়, বিশ্বাসের ধর্ম, আচরণের ধর্ম, রবিবারের ধর্ম, অপর ছয়দিনের ধর্ম, গির্জার ধর্ম এবং গৃহের ধর্মে ভারতবর্ষ ভেদ ঘটাইয়! দেয় নাই। ভারত- বর্ষের ধর্ম সমস্ত সমাঁজেরই ধর্ম _তাহার মূল মাটির ভিতরে এবং মাথা আকাশের মধ্যে--তাহার মূলকে স্বতন্ত্র মাথাকে শ্বতন্ত্র করিয়া ভারতবর্ষ দেখে নাই--ধর্্মকে ভারতবর্ষ দ্যুলোক ভূলোকব্যাপী, মানবের সমস্ত জীবনব্যাপী একটি বৃহৎ বনস্পতিরূপে দেখিয়াছে।

পৃথিবীর সভাসমাজের মধো ভারতবর্ষ নানাকে এক করিবার আদর্শরূপে বিরাজ করিতেছে, তাহার ইতিহাস হুইতে ইহাই প্রতিপন্ন হুইবে। এককে বিশ্বের মধ্যে নিজের আত্মার মধো অনুভব করিয়া সেই এককে বিচিত্রের মধ্যে স্থাপন করা, জ্ঞানের দ্বার। আবিষ্কার করা, কর্মের দ্বার! প্রতিষ্ঠিত করা, প্রেমের দ্বার! উপলব্ধি কর] এবং জীবনের দ্বার! প্রচার করা-_নানা বাধা-বিপত্তি-র্গতি-সুগতির মধ্যে ভারতবর্ষ ইহাই করিতেছে। ইতিহাচের ভিতর দিয়া যখন ভারতের,সেই চিরস্তন

. ভারতবর্ষের ইন্ডিহান। ২%

আপার সপ্ত সিলসিলা পান পাটানি বলি পাস পাস্্পিপাসপাসিলাসমিরডিএ সপ সস স্পা পান পাস পপি পিলার

ভাবটি অনুভব করিব, তখন আমাদের বর্তমানের মহিত অতীতের বিচ্ছেদ লোপ পাইবে।

বিদেশের শিক্ষা ভারতবর্ষকে অতীতে বর্তমানে খা বিভক্ত করিতেছে। যিনি সেতু নির্মাণ করিবেন, তিনি আমাদিগকে রক্ষা করিবেন। যদ্দি সেই সেতু নির্মিত হয়, তবে এই দ্বিধারও সফলত| আছে --কারণ বিচ্ছেদের আঘাত না পাইলে মিলন সচেতন হয় না। যদি আমাদের মধ কিছুমাত্র পদার্থ থাকে, তবে বিদেশ আমাদিগকে ষে আঘাত করিতেছে, সেই আঘাতে শ্বদেশকেই আমরা নিবিড়তররূপে উপলব্ধি করিব। প্রবাসে নির্বামনই আমাদের কাছে গৃহের মাহাত্ম্যকে, মহত্তম করিয়! তুলিবে।

মামুদ মহন্ষদঘোরীর বিজয়বার্ভার সমস্ত তারিখ আমরা মুখস্থ, করিয়া পরীক্ষার প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হইয়াছি, এখন যিনি সমস্ত ভারতবর্ষকে আমাদের সন্মুখে মুত্তিমান্‌ করিয়৷ তুলিবেন, অন্ধকারের মধ্যে দাড়াইয়া সেই এঁতিহাসিককে আমরা আহ্বাণ করিতেছি। তিনি তাহার শ্রদ্ধার দ্বারা আমাদের মধ্যে শ্রদ্ধার সঞ্চার করিবেন, আমাদিগকে প্রতিষ্ঠাদান করিবেন, আমাদের আত্মউপহাস আত্ম- অবিশ্বানকে অতি অনায়াসে তিরস্কত করিবেন, আমাদিগকে এমন প্রাচীন সম্পদের অধিকারী করিবেন যে, পরের ছদ্মবেশে নিজের লজ্জা, নুক|ইবার আর প্রবৃত্তি থাকিবে না। তখন কথা আমরা বুবিঝুঃ পৃথিবীতে ভারতবর্ষের একটি মহৎ স্থান আছে, আমাদের মধ্যে মহৎ আশার কারণ আছে; আমর] কেবল গ্রহণ করিব না-- অনুকরণ করিব না, দান করিব--প্রবর্তন করিব, এমন সম্ভাবন। আছে; পলিটিক্স এবং বাণিজ্যই আমাদের চরমতম গতিমুক্কি নহে, প্রাচীন ব্রহ্মচর্যের পথে বৈরাগ্য-কঠিন দারিদ্রাগৌরব শিরোধাধধ্য করিয়া ছুর্গম-নির্মল মাহাত্বের উ্নততম শিখরে অধিরোহণ করিবার

৯৮ ঈলাসদিতিরণ ছিপ সর্প

ভারতবর্ধ

০০

জন্ত আমাদের খবি-পিতামহদের সুগন্তীর নিদেশ-নির্দেশ প্রাপ্ত হুইয়াছি ) সে পথে পণ্যতা রাক্রান্ত অন্ত কোন পান্থ নাই বলিয়! :আমর! 'ফিরিব না, গ্রস্থভারমত শিক্ষকমহাশয় সে পথে চলিতেছেন না বলিয়া কজ্জিত হইব না। মূল্য না দিলে কোন মূল্যবান জিনিষকে আপনার কর! যায় না। . ভিক্ষা করিতে গেলে কেবল খুদকুঁড়া মেলে, তাহাতে “পেট অল্পই ভরে, অথচ জাতিও থাকে না। বিদেশকে যতক্ষণ আমরা কিছু দিতে পারি না, বিদেশ হইতে ততক্ষণ আমরা কিছু লইতেও শারি না) লইলেও তাহার সঙ্গে আত্মসন্মান থাকে না বলিয়াই তাহা "তেমন করিয়া আপনার হয় না, সঙ্কোচে সে অধিকার চিরদিন গ্অসম্পূর্ণ অসঙ্গত হইর। থাকে যখন গৌরবসহকারে দিব, তখন গৌরব সহকারে লইব। হে প্রতিহাসিক, আমাদের সেই দিবার সঙ্গতি কোন্‌ প্রাচীন ভাগারে সঞ্চিত হইয়া আছে, তাহ! দেখাইয়া দাও, তাহার দ্বার উদঘাটন কর। তাহার পর হইতে আমাদের গ্রহণ করিবার শক্তি বাধাহীন অকুষ্টিত হইবে, আমাদের উন্নতি শ্রীবুদ্ধি অকৃত্রিম স্বভাবসিদ্ধ হইয়া উঠিবে। ইংরাজ নিজেকে সর্ধত্র প্রসারিত, দ্বিগুণিত, চতুগ্ণিত করাকেই জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রেয় বলিয়! জ্ঞান করিয়াছে, তাহাদের বুদ্ধিবিচারের এই উন্মত্ত অন্ধ অবস্থায় তাহার! ধৈর্যের সহিত আমাদিগকে শিক্ষাদান করিতে পারে না। উপনিষদে অনুশাসন আছে- শ্রদ্ধা দেয়ম্‌, অশ্রদ্ধয়া অদেয়ম্--শ্রদ্ধার সহিত দিবে, অশ্রদ্ধার সহিত দিবে নাঁ_ কারণ, শ্রদ্ধার সহিত না দিলে যথার্থ জিনিষ দেওয়াই যায় না, বরঞ্চ এমন একটা জিনিষ দেওয়া! হয়, যাহাতে গ্রহীতাকে হীন কর! হয়। আজকালকার ইংরাজশিক্ষকগণ দানের থাঁরা আমাদিগকে হীন করিয়া খাকেন,_ তাহার! অবজ্ঞা-অশ্রদ্ধার সহিত দান করেন, সেই সঙ্গে প্রত্যহ সবিজপে শ্মরণ করাইতে থাকেন--প্যাহ] দিতেছি, ইহার তুল্য

ভারতবর্ষের ইতিহাস। ২৯

তোমাদেরর কিছুই নাই এবং যাহা। লইতেছ, তাহার প্রতিদান দেওয়! তোমাদের সাধ্যের অতীত ।” প্রত্যহ এই অবমাননার বিষ আমাদের মজ্জার মধ্যে প্রবেশ করে, ইহাতে পক্ষাঘাত আনিয়। আমাদিগকে নিরুদ্ধম করিয়া দেয়। শিশুকাল হইতেই নিজের নিজত্ব উপলব্ধি, করিবার কোন অবকাশ--কোন সুযোগ পাই নাই, পরভাষার বানান-. বাক্য-ব্যাকরণ মতামতের দ্বার! উদত্রাস্ত-অতিভূত হইয়। আছি-_. নিজের কোন শ্রেষ্ঠতার প্রমাণ দিতে ন1 পারিয়া মাথা হেটে করিয়া থাকিতে হয়। ইংরেঞজের নিজের ছেলেদের শিক্ষা প্রণালী এরূপ নহে. অক্সফোর্ড-কেঘ্ি,জে তাহাদের ছেলে কেবল যে গিলিয়। থাকে, তাহ৷ নহে, তাহারা আলোক, আলোচনা খেল! হইতে বঞ্চিত হয় না অধ্যাপকদের সঙ্গে তাহাদের সুদুর কলের সম্বন্ধ নহে একে তাহাদের চতুর্দিক্বর্তী স্বদেশী সমাজ শ্বদেশী শিক্ষাকে সম্পূর্ণরূপে আপন করিয়া লইবার জন্য শিশুকাল হইতে সর্বতোভাবে আঙ্ককুল্য করিয়া থাকে, তাহার পরে শিক্ষাপ্রণালী অধ্যাপকগণও অনুকূল। আমাদের, আগ্োপান্ত সমন্তই প্রতিকূল-_ষাহ। শিখি, তাহা প্রতিকূল, বে উপায়ে শিখি, তাহ! প্রতিকূল, যে শেখায়, সে-ও প্রতিকূল। ইহা সত্ত্বেও যদ্দি আমর! কিছু লাভ করিয়া থাকি, যদি শিক্ষা আমরা কোন কাজে থাটাইতে পারি, তাহা আমাদের গুণ।

অবশ্ত এই বিদেশী শিক্ষাধিকারের হাত হইতে ন্বজাতিকে মুক্তি: দিতে হইলে শিক্ষার ভার আমাদের নিজ্বের হাতে লইতে হইবে এবং যাহাতে শিগুকাল হইতে ছেলের। শ্বদেশীয় ভাবে, শ্বদেশীয় প্রণালীতে, স্বদেশের সহিত হৃদয়মনের যোগরক্ষ। করিয়া, স্বদেশের বায়ু আলোক প্রবেশের দ্বার উন্মুক্ত রাখিয়া শিক্ষা পাইতে পারে, তাহার জন্ত আমাদিগকে একান্ত